indobokep borneowebhosting video bokep indonesia videongentot bokeper entotin videomesum bokepindonesia informasiku videopornoindonesia bigohot
Home / Featured / ভারতে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষা

ভারতে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষা

Share This Article:

ভারতে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষা: ভারতের International Council For Cultura Relations, এই সংগঠনটির কাজ হলো যেসব দেশের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক ভালো, সেসব দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে পড়ালেখার সুযোগ করে দেয়া, অর্থাৎ শিক্ষাবৃত্তি বা স্কলারশিপ দেয়া। বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীরা এই স্কলারশিপ স্কিমের আন্ডারে বছরে একবার স্কলারশিপ পায়। স্কলারশিপ দেয়া হয় আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট, গবেষণা এবং বিভিন্ন পারফর্মিং আর্ট যেমনঃ নাচ, গান ইত্যাদির জন্য।

"Indian Scholarships for Bangladeshi Students to Study in India Universities"

মোট ১০০ টি স্কলারশিপে আন্ডারগ্র্যাজুয়েটদের জন্য ৬০ টি, পোস্টগ্র্যাজুয়েটদের ২০ টি, গবেষণার জন্য ১০ টি এবং পারফর্মিং আর্টের ১০ টি সিট।

এই রিপোর্টটি আন্ডারগ্র্যাজুয়েটদের জন্য ।

ভারতে স্কলারশিপ – দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা সীমিত হয়ায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচুর খরচের জন্য এবং পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয়টি পড়তে না পারার জন্য উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে অনেক শিক্ষার্থী এক বছর নষ্ট করে, তাও অনেকের ঠাঁই হয়না কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাদের জন্য এই স্কলারশিপটি হতে পারে চমৎকার একটা সুযোগ।

ভারতে স্কলারশিপ – এই স্কলারশিপ স্কিমের আন্ডারে আপনি যা যা পাবেনঃ

১। যেকোন ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যেকোন নামকরা কলেজে গ্র্যাজুয়েশনের সুযোগ। সম্পূর্ণ টিউশন ফি দেবে এবং ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেবে ICCR।

২। বাসা ভাড়া, খাবার, যাতায়াত ইত্যাদির জন্য প্রতি মাসে সাড়ে দশ হাজার রুপি হাতখরচ দিবে।

এই স্কলারশিপটির সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীরা জানেন না, সেজন্য অনেকেই আবেদনও করতে পারেন না। এছাড়াও, ভারতীয় সেমিস্টার সিস্টেমে বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলের ক্লাস শুরু হয় আমাদের দেশের চেয়ে কিছুটা পরে। ততদিনে বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রী কোথাও না কোথাও ভর্তি হয়ে যায়, অথবা দ্বিতীয়বারের মতো পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে। তাই যারা আবেদন করতো তারাই কোনও রকম প্রতিযোগিতা ছাড়াই সহজে ভারতে পড়ায় সুযোগ পেতো।

এখন কিছুটা প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়েছে এই স্কলারশিপটি, তবুও আবেদকের সংখ্যা খুবই নগণ্য। সুতরাং, আবেদনটা করে দিলেই খুব বড় ধরনের সুযোগ থাকে সুযেগ পাওয়ার। জেনে অবাক হবেন, টিউশন ফি এবং মাসিক হাতখরচসহ স্কলারশিপটির অর্থমূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ টাকার কাছাকাছি। আর এর পুরোটাই ICCR বিনামূল্যে দেয়।

তাহলে জেনে নিন স্কলারশিপটা কীভাবে পাওয়া যায়, কী কী লাগে এবং কীভাবে আবেদন করতে হয়।

যা যা লাগবে
১। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট এবং মার্কশিটের সত্যায়িত ফটোকপি।
২। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের সিলেবাসের সত্যায়িত ইংরেজি ভার্শন (নীলক্ষেতে কিনতে পাওয়া যায়)।
৩। পাসপোর্ট সাইজ ছবি, ছবির পিছনে নাম লেখা থাকতে হবে।
৪। পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি।

এই চারটা জিনিস হয়ে গেলে এবার লাগবে একটা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম, সেটা ডাউনলোড করবেন Download link থেকে।

এই ফর্মটা এবার খেয়াল করে দেখুন, যাবতীয় তথ্য আপনি নিজেই লিখতে পারবেন। তারপরও একটু দেখে নিন।

প্রথম পৃষ্ঠাঃ এখানে বিভিন্ন স্কলারশিপ স্কিমের নাম লেখা থাকে। আপনি “বাংলাদেশ স্কলারশিপ স্কিম” এ টিক চিহ্ন দেবেন।

দ্বিতীয় পৃষ্ঠাঃ এখানে কী কী কাগজপত্র লাগবে সেগুলোর বর্ণনা দেয়া আছে। ইতোমধ্যে ওপরে দেখেছেন কী কী কাগজপত্র লাগবে।

তৃতীয় পৃষ্ঠাঃ এখানে থাকে নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, জন্মস্থান, যোগাযোগের ঠিকানা ইত্যাদি।

চতুর্থ পৃষ্ঠাঃ এখানে মাঝামাঝিতে দেখতে পাবেন আপনার পছন্দের বিষয় এবং পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম।

পঞ্চম পৃষ্ঠাঃ এখানে কোন বোর্ড থেকে কত সালে কী পাস করেছেন, সেগুলোর জানতে চেয়েছে। রেজাল্ট পার্সেন্টেজে জানতে চেয়েছে, সেখানে আপনি আপনার গ্রেড লিখে দিবেন, এ প্লাস বা যাই হোক তবে গোল্ডেন দরকার নেই। কিন্তু মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক ২ টিতেই এ প্লাস না থাকলে স্কলারশিপ পাওয়াটা একটু কঠিন হয়ে যায়।

ষষ্ঠ পৃষ্ঠাঃ এখানে দুইজন পরিচিত লোকের রেফারেন্স দেবেন, যারা আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন এবং আপনার চরিত্র সম্পর্কে জানতে চাইলে ভালো বলতে পারবে।

সপ্তম ও অষ্টম পৃষ্ঠাঃ একজন সরকারি ডাক্তার, অর্থাৎ যিনি বিসিএস দিয়ে সরকারি হাসপাতালে কাজ করছেন, তাকে দিয়ে এই দুটো পাতা পূরণ করে নিতে হবে। তিনি এই মর্মে স্বাক্ষর করবেন যে, আপনার শরীরে ক্ষতিকর কোন রোগ নেই। ডাক্তারের নাম, স্বাক্ষর, সিল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে এই ফর্মে।

নবম পৃষ্ঠাঃ ভারতীয় হাইকমিশন পূরণ করবে, আপনাকে কিছুই করতে হবে না।

দশম ও একাদশ পৃষ্ঠাঃ এই দুটো পৃষ্ঠায় কিছু নির্দেশনা আছে, পড়ে দেখতে পারেন।

এই নির্দেশনাগুলো ফর্মে দেয়া নেই কিন্তু ভারতীয় হাইকমিশনের লোকেরা এগুলো কোনও নোটিস ছাড়াই করতে বলবে। সুতরাং, সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে যাওয়াই ভালো।

১। পুরো আবেদন ফর্মটির ছয় সেট ফটোকপি করুন (নির্দেশনায় পাঁচ সেট লেখা আছে, আপনি এক কপি অতিরিক্ত করবেন)।

২। ডাক্তারকে দিয়ে তার জন্য বরাদ্দ দুটি পাতার ছয়টি সেট, অর্থাৎ বারো পাতা পূরণ করিয়ে নিন।

৩। যেসব কাগজপত্র লাগবে, সেগুলোর বারো সেট ফটোকপি করে সত্যায়িত করে নিন।

৪। এরপর আবেদন ফর্মের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় দেয়া ক্রমানুসারে ফটোকপিগুলো ছয়টি কপিতে দুই সেট করে যোগ করে দিন।

৫। এবার ছবিগুলো যেখানে যেখানে দরকার, সেখানে সেখানে লাগিয়ে দিন। ফর্মের একদম ওপরের পৃষ্ঠায়, অর্থাৎ কাভার পৃষ্ঠায় একটা ছবি ডানে-বায়ে স্ট্যাপলার করে লাগাতে হয়।

৬। ফর্ম যখন ওরা বুঝে নেয়, তখন একটা ফোন নম্বর চায়। এমন কোনও ফোন বা মোবাইল নম্বর দেবেন, যেটা দিন রাত চব্বিশ ঘন্টা খোলা থাকে। যে কোন মুহুর্তে ফোন করে ডাকতে পারে আপনাকে সুসংবাদ দেয়ার জন্য।

ভারতে স্কলারশিপ – জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই আবেদন চাওয়ার হয়। আবেদন চাওয়ার পর এক মাস সময় দেয় আবেদন জমা দেয়ার জন্য। গুলশান দুই নাম্বারে KFC এর কাছে ইন্ডিয়ান অ্যাম্বেসিতে গিয়ে জমা দিয়ে আসুন আপনার ছয় সেট অ্যাপ্লিকেশন। জানুয়ারিতে জমা নেয়, এরপর প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের ফোন করে একটা লিখিত ইংরেজি গ্রামার পরীক্ষা দেয়ার জন্য ডাকে। একেবারেই বেসিক লেভেলের ৫০ মার্কের একটা গ্রামার পরীক্ষা হয়।

এই পরীক্ষায় টিকে গেলে মে-জুন মাসের দিকে আপনাকে ফোন করে জানাবে যে আপনার স্কলারশিপ হয়ে গেছে। সাথে একজন গার্জিয়ান, বাবা-মা অথবা কোনও আত্মীয় যিনি ইংরেজিতে মোটামুটি কথাবার্তা চালাতে পারেন, তাকে নিয়ে যাবেন ভারতীয় হাইকমিশনে। ভারতীয় এডুকেশন অ্যাটাচে, নাম সন্তোষ কুমার মিশ্র কথা বলবেন আপনাদের সঙ্গে। ২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পছন্দ করতে দেবে আপনি যেটাতে চাইবেন সেটাতেই পড়তে পারবেন। তিনি আরো কিছু প্রশ্ন করতে পারেন। যেমন-

১। তুমি ভারতে পড়াশোনার জন্য মানসিকভাবে তৈরি তো ?

২। পড়াশোনা মাঝখানে ছেড়ে দেবে না তো ?

৩। খুব ভালো করে পড়ালেখা করতে হবে কিন্তু।

৪। কেমন লাগছে স্কলারশিপ পেয়ে ?

এরকম সাধারণ কিছু কথাবার্তা হয়। এরপর আপনার পাসপোর্ট নেবেন এবং তারাই কীভাবে দ্রুত ভিসা পেতে হয়, সেটা বলে দেবেন। এরপর আপনাকে তিনটি কাগজ দেবে তারা, ভারতে গিয়ে এসব কাগজ সেই ইউনিভার্সিটির অফিসে দেখালেই আপনাকে ছাত্র হিসাবে সেই ইউনিভার্সিটি ভর্তি করে নেবে।

আনুষঙ্গিক আরও যা যা ছোটখাটো ব্যাপার আছে, সেগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই বুঝতে পারবেন। প্রতিটি স্তরে একজন লোক আছেন যিনি পরের স্তরে কী করতে হবে সেই নির্দেশনা দিয়ে দেবেন। সুতরাং, কোনও সমস্যা হবে না।

ভারতে বাংলাদেশি ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠন আছে। এদের সাথে যোগাযোগ করুন। খুব আন্তরিকতা নিয়ে সাহায্য করবে তারা। ফেসবুকে ভারতে পড়াশোনা করছে এমন বাংলাদেশি ছাত্র আছে অনেকে। এদের সাথে অন্যান্য সমস্যার ব্যাপারে কথা বলুন।

যাই হোক, স্কলারশিপ পাওয়ার পর ৭ দিনের মতো সময় থাকে। যেদিন ভর্তি হয়ার তারিখ থাকবে, তার অন্তত তিন-চারদিন আগে বাংলাদেশ থেকে রওনা দিন।

ভারতে স্কলারশিপ – ভারতে পড়ালেখায় সেশন জট নেই, ছাত্র রাজনীতির কারণে পড়ালেখার ক্ষতি নেই।
ভারতে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষা

* Feel Free To Ask Any Question Here :-

194 Total Views 2 Views Today

Comments are closed.

indobokep borneowebhosting video bokep indonesia videongentot bokeper entotin videomesum bokepindonesia informasiku videopornoindonesia bigohot
x

Check Also

"Study in UK Student Visa"

Apply for The Russian Government Scholarships 2018-2019

Scholarships in Russia: The Ministry of Education and Science of the Russian ...

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow

indobokep borneowebhosting video bokep indonesia videongentot bokeper entotin videomesum bokepindonesia informasiku videopornoindonesia bigohot